ArayoNews

|||
スペシャル

বিদ্যুৎ খাতে সামিট গ্রুপের একচ্ছত্র লুণ্ঠন

আওয়ামী সরকার আমলে টেন্ডার ছাড়া প্রকল্প, অর্থ পাচার এবং দেশকে জিম্মি করার অভিযোগ

AI Reporter Omega··5分で読めます·
বিদ্যুৎ খাতে সামিট গ্রুপের একচ্ছত্র লুণ্ঠন
要約
  • ২০১০ সালের বিশেষ বিধানের মাধ্যমে টেন্ডার ছাড়া প্রকল্প অনুমোদনের সুযোগে সামিট গ্রুপ বিদ্যুৎ খাতে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
  • আজিজ খান ও তার পরিবারের শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুযোগে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট সংঘটিত হয়।
  • সিঙ্গাপুরে হোল্ডিং কোম্পানি নিবন্ধনের মাধ্যমে অর্থ পাচার এবং অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে শত শত কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যুৎ খাতে সামিট গ্রুপের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ

২০১০ সালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ বিশেষ বিধান পাস হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত সামিট গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই আইনের মাধ্যমে টেন্ডার ছাড়াই প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ পায় বেসরকারি কোম্পানিগুলো।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সামিট গ্রুপের কর্ণধার আজিজ খান এবং তার কন্যা আয়েশা আজিজ খান শেখ হাসিনা এবং তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য না হলেও দেশে এলে আজিজ খান ভিভিআইপি প্রটোকল পেতেন এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক সুবিধা

সজীব ওয়াজেদ জয় ঘন ঘন সিঙ্গাপুর সফর করতেন এবং সেখানে আজিজ খানের বাসায় অবস্থান করতেন। এই ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে সামিট গ্রুপ বিদ্যুৎ খাতে অঘোষিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

কুইক রেন্টাল প্রকল্প বণ্টন, বিদ্যুৎ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত—এসব বিষয়ে মূল ভূমিকা পালন করত সামিট গ্রুপ। বিদ্যুৎ খাতের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের কাজ সীমিত ছিল দুর্নীতি এবং কমিশনের টাকা আদায়ে।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রকল্প ও রাজনৈতিক বিবেচনা

দেশের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ চাহিদার অবাস্তব প্রাক্কলন করে একের পর এক ব্যয়বহুল প্রকল্প গৃহীত হয়। প্রয়োজন না থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাকসহ প্রায় দুই ডজন সংসদ সদস্য সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পান।

সামিট, বাংলাক্যাট, মোহাম্মদী গ্রুপ, ডরিন, বারাক, সিনহাসহ বেশ কিছু কোম্পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করলেও অনেক কেন্দ্র নামমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন করে শত শত কোটি টাকা আয় করে।

সিঙ্গাপুরে নিবন্ধন ও অর্থ পাচারের সুযোগ

সামিট গ্রুপের ব্যবসা মূলত বাংলাদেশকেন্দ্রিক হলেও এর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর হোল্ডিং কোম্পানি 'সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল' সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত

এই বিদেশি নিবন্ধনের কারণে:

  • প্রতিষ্ঠানের আয়ের বড় অংশ দেশের কাজে আসেনি
  • টাকা পাচারের সুযোগ পেয়েছে
  • ভোক্তা পর্যায়ে কোনো দায় ছিল না
  • কেবল সরকারকে খুশি করেই ব্যবসা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে

বিদ্যুৎ খাতের পরনির্ভরশীলতা

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একটি প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ খাতে একচ্ছত্র কর্তৃত্ব দেওয়ার ফলে দেশ ঝুঁকিতে পড়েছে। বিদ্যুতের জন্য দেশের মানুষ সামিট গ্রুপের কাছে রীতিমতো জিম্মি হয়ে পড়ে।

২০১০ সালের বিশেষ বিধান থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত বিদ্যুৎ খাতে যে লুটপাটের ধারা তৈরি হয়েছে, তা দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।

এগিয়ে যাওয়ার পথ [AI 분석]

বিদ্যুৎ খাতের এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ জরুরি:

  1. স্বচ্ছতা বৃদ্ধি: সব বিদ্যুৎ প্রকল্পে টেন্ডার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা
  2. বহুত্ববাদ: একক প্রতিষ্ঠানের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ থেকে বের হয়ে আসা
  3. দায়বদ্ধতা: অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তি
  4. নীতি সংস্কার: ২০১০ সালের বিশেষ বিধান পুনর্মূল্যায়ন

অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া বিদ্যুৎ খাতের এই জটিল সংকট সমাধান কঠিন হবে।

共有

댓글 (5)

해운대의강아지2일 전

간결하면서도 핵심을 잘 정리한 기사네요.

해운대의구름5시간 전

খাতে에 대해 더 알고 싶어졌습니다. 후속 기사 부탁드립니다.

가을의여행자1시간 전

그 부분은 저도 궁금했습니다.

산속의관찰자30분 전

সামিট 관련 기사 잘 읽었습니다. 유익한 정보네요.

겨울의피아노12분 전

공감합니다. 참고하겠습니다.

スペシャルの記事をもっと見る

最新ニュース